সর্বশেষ আপডেট: ঢাকা - আগস্ট ২৬, ২০২৬ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী
অবৈধ স্থাপনাকারী যত শক্তিশালীই হোক, কারও কথা শুনবেন না: প্রতিমন্ত্রী
পর্তুগালের ঐতিহ্যবাহী ‘ফিস্ট অফ সেন্ট জন’ উৎসব শুরু ২৩ জুন
সালাহউদ্দিন সুমন ও নিলয়ের সুমেরু (আর্কটিক) অভিযান শুরু
দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ
Header Logo Header Logo
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • কূটনীতি
  • সংসদ
  • সচিবালয়
  • প্রতিরক্ষা
  • অর্থনীতি
  • খেলা
  • মফস্বল
  • ভিডিও
  • অন্যান্য
    • প্রবাস
    • নগর
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • আইন ও বিচার
    • পরিবেশ
    • শিক্ষা
    • কৃষি
    • প্রযুক্তি
    • পর্যটন
    • গণমাধ্যম
    • ধর্মীয়
    • মতামত
    • লাইফস্টাইল
    • বিনোদন
    • গ্যালারি
Notification
ট্রেন্ডিং
  • আদমদীঘি
  • বগুড়া
  • মালয়েশিয়া
  • বাগেরহাট
  • তারেক রহমান
  • বিএনপি
  • গোপালগঞ্জ
  • ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
24 Bangladesh24 Bangladesh
Search
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • কূটনীতি
  • সংসদ
  • সচিবালয়
  • প্রতিরক্ষা
  • অর্থনীতি
  • খেলা
  • মফস্বল
  • ভিডিও
  • অন্যান্য
    • প্রবাস
    • নগর
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • আইন ও বিচার
    • পরিবেশ
    • শিক্ষা
    • কৃষি
    • প্রযুক্তি
    • পর্যটন
    • গণমাধ্যম
    • ধর্মীয়
    • মতামত
    • লাইফস্টাইল
    • বিনোদন
    • গ্যালারি
Follow US
  • Privacy Policy
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Copyright © 2026 24 Bangladesh | Powered By: Hur Agency
মতামতরাজনীতি

১৯ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফেরার অপেক্ষায় জিয়া পরিবার

২৪ বাংলাদেশ
By
২৪ বাংলাদেশ
author logo
By২৪ বাংলাদেশ
Follow:
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
শেয়ার
শেয়ার

আশরাফুল কবির আসিফ, বাংলাদেশ গ্লোবাল: রাজনীতিসাদা চোখে বিষয়টি যতো সহজ মনে হয়, আদতে তা কখনোই নয়। গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে বড় দাগে একটা জিনিস সবার মনে হচ্ছে তা হলো, ২০০৬ সালের পর আবারও ক্ষমতায় আসছে বিএনপি। কিন্তু মানুষের ধারণাকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হলে বিএনপিকে আরও অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে হবে।

দেশের অনেক এলাকায় নিজে যাওয়ার কারণে বিএনপির প্রতি মানুষের সফট কর্ণার বুঝতে পেরেছি। কিন্তু এই মানুষদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে ধানের শীষের ভোট বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় পরিসরে উদ্যোগ আমার তেমন চোখে পড়েনি। ভোটের আর মাত্র ৮ দিন বাকি। এই সময় তৃণমূল বা প্রান্তিক পর্যায়ের কর্মীদের দলটি একসূত্রে কতোখানি গাঁথতে পেরেছে তা নিয়ে আমার বেশ প্রশ্ন আছে।

বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। সারাদেশে একদম ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত তার শাখা বা ইউনিট রয়েছে। কিন্তু ১৯৯১ বা ২০০১ সালের মতো হাইপ কী বিএনপি তুলতে পেরেছে? এই প্রশ্ন নিজের মনের কাছে করলে বিএনপি নেতারা বোধ হয় উত্তর পেয়ে যাবেন।

একটা বড় দলের হাজার হাজার নেতা রয়েছেন। তার মধ্যে মনোনয়ন পান মাত্র তিনশ জন। এর মধ্যে আবার জোট শরিকদের অল্প হলেও কিছু আসন ছাড়তে হয়েছে। আবার অনেকে বাস্তবতা বুঝে নিজের দল ছেড়ে ধানের শীষ প্রতীক বেছে নিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতা নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাননি।

এই নেতাদের সঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে না পারা বিএনপির জন্য একটি বড় মাথাব্যথার কারণ। তাঁদের মধ্যে অর্ধশতাধিক নেতা স্বতন্ত্র অর্থাৎ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে বেশ ভালোভাবেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এই নেতাদের বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। দল সবশেষ তাদের বহিষ্কার করেছে। অনেক জায়গায় বিদ্রোহীদের ঘনিষ্ঠ নেতা এবং কর্মীদেরও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কিন্তু বিষয়টি এখানেই থেমে থাকবে বলে আমার মনে হয়নি। খোদ রাজধানীর অন্তত দুইটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে বড় নিয়ামক হিসাবে কাজ করবেন। একটা বিষয় খেয়াল করবেন, স্বতন্ত্র অর্থাৎ বিদ্রোহী প্রার্থীরা অনেক জায়গায় নিজেরা জিততে না পারলেও মোটামুটি একটা ভোট তাঁরা পাবেন। আর এই পুরো ভোটটাই যাবে ধানের শীষের বাক্স থেকে। মানে, যেসব আসনে হার-জিত লো মার্জিনে নির্ধারিত হবে (১০ থেকে ২০ হাজার ভোট), সেখানে বিদ্রোহী প্রার্থীরা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবেন। এভাবে অনেক নিশ্চিত আসন বিএনপির হাতছাড়া হতে পারে।

এতো গেলো, প্রকাশ্যে বিএনপির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভোট করা দলটির নেতাদের মনোভাব। এর চেয়েও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, মনোনয়ন বঞ্চিত কিন্তু প্রার্থী হননি – এমন নেতারা। ভোটের মাঠে তাঁরা হয় নিষ্ক্রিয়, না হয় নামকাওয়াস্তে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। এই শ্রেণির নেতারা এখনই উচ্চ কক্ষে তাঁদের মনোনয়ন কনফার্ম করার চেষ্টা করছেন। অথবা নিজের অবস্থান বুঝে কেউ সিটি করপোরেশনের মেয়র, কেউ আবার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়র হওয়ার লড়াইয়ে এখন থেকেই নানা পর্যায়ে নিজের গুরুত্ব বোঝানোর কাজে নেমে পড়েছেন। এমনকি অন্তত পক্ষে দলে যেন গুরুত্বপূর্ণ পদ পান, তা নিয়েও তাঁদের আগ্রহ কম নয়!

এর চেয়েও বড় একটা বাস্তবতা হলো, বিএনপি প্রচারণার মাঠে যতোটা ঝড় তুলবে বলে মনে করা হয়েছিল, একদম প্রান্তিক পর্যায়ে তা হয়নি। এই উপমহাদেশে বড় নেতাদের বিদায় তাঁর দলের জন্য বাড়তি ভোট নিয়ে আসে। ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী এবং বেনজির ভুট্টোর চলে যাওয়ার পর কংগ্রেস এবং পিপিপি লাভবান হয়েছে। অথচ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চলে যাওয়াকে বিএনপি সে অর্থে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যেতে পারেনি।

দেশের মানুষের কাছে জিয়াউর রহমানের পর বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির সবচেয়ে বড় আবেগের নাম। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর চিরবিদায় ভোটের মাঠে বিএনপিকে অনেকখানি এগিয়ে দিতে পারতো, যদি তারা তাঁর অবদান ও কর্ম সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও অর্গানাইজডভাবে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হতো। আমার কাছে মনে হয়েছে, বিএনপির মধ্যম এবং নিচের স্তরের নেতারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে যেভাবে হাইলাইট করছেন, বেগম জিয়ার চলে যাওয়া নিয়ে তারা সেভাবে সরব হননি। এক্ষেত্রে তাঁদের বেশিরভাগই বক্তৃতা-বিবৃতি বা মাইকের সামনে বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রশংসা করতেই বেশি সময় পার করছেন। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সিনিয়র নেতারাও একই কাজ করছেন।

এবারের ভোট আগের অন্যান্য নির্বাচন থেকে অনেকটাই আলাদা। এই যুগে একটা মোবাইল ফোন থাকলেই তাঁর সাথে যেকোনোভাবে কানেক্ট করা যায়। আপনি সারাদিন মাইকে প্রার্থীর পক্ষে গান বাজিয়ে বা ভালো ভালো কথা বলে যতোটা না মানুষের কাছে যেতে পারবেন, তার চেয়ে অনেক বেশি পৌঁছাতে পারবেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কাজে লাগিয়ে।

এখানেই বিএনপি অনেকটাই পিছিয়ে। অনলাইনে পেছনে থাকা ভোটের খেলায় আপনাকে খাদে নামিয়ে দিবে। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন, যেকোনো ইস্যুতে ফেসবুকে বিএনপিকে প্রায়ই অসহায় অবস্থায় পড়তে হয়। এই জায়গায় তাদের আরও কাজ করতে হবে। শেষ সময়েও তারা এ বিষয়ে কতোটা তৈরি তা নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেই বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে।

বিএনপির একদম তৃণমূল থেকে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পর্যন্ত সবাই মনে করেন, এবার তাঁদের জন্য সবচেয়ে বড় ট্রাম্প কার্ড তারেক রহমান। তাঁদের সবারই একটাই আশা, দলের চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব গুণে তাঁরা ক্ষমতায় যাবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁরা অবচেতন মনেই তাঁর ওপর বাড়তি চাপ দিচ্ছেন। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাহিরে ছিলেন। বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাথে তাঁর খাপ খাইয়ে নিতেই স্বাভাবিকভাবে কিছুটা সময় লাগবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই তারেক রহমানের ওপর যোগ হয়েছে বাড়তি প্রত্যাশার চাপ। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচদিনের মাথায় তিনি তাঁর মাকে হারিয়েছেন। একমাত্র জীবিত সন্তান হওয়ায় সবকিছু একসাথে তাঁর ওপরে এসে পড়েছে।

সাধারণ মানুষ তো বটেই, আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে শুরু করে গণমাধ্যম ও ব্যবসায়ীসহ দেশের সব মহলের চোখ এখন তারেক রহমানের দিকে। এই প্রত্যাশার পারদ তিনি কতোখানি সামাল দিতে পারবেন, তার ওপর নির্ভর করবে বিএনপির ক্ষমতায় ফেরা। আমার কাছে মনে হয়েছে, সবকিছু সামলে তিনি যখন দেশে ফিরেছেন, এই ফেরা আর এক বা দেড় মাস আগে ফিরলে তিনি অনেকটাই নির্ভার থাকতেন। নভেম্বরের শুরুতে দেশে ফিরলে নিজেই বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারতেন। এতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে আসতো।

ভোটের বাজারে বিএনপির অনেক প্রার্থীকে নিয়েই নানা কথা রয়েছে। জনপ্রিয়তায় অনেক পেছনে থাকলেও নানাভাবে কেউ কেউ প্রার্থী হয়েছেন। বয়সে অনেক প্রবীণ, নিজ আসনে তেমন পরিচিত নন, আবার কেউ কেউ এলাকা থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকলেও মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন – এমন প্রার্থীর সংখ্যাও কম নয়। বেশ কিছু আসনে বিএনপিকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলবেন – এ ধরনের ব্যক্তিরাও বোধ হয় তারেক রহমান সে সময় দেশে থাকলে মনোনয়ন পেতেন না।

আর এখন যেভাবে একদিনে দেশের কয়েক জেলায় প্রচারণায় যেতে হচ্ছে, তা থেকেও তিনি নিস্তার পেতেন। এতে শারীরিকভাবেও তিনি আরও ভালো বোধ করতেন। খেয়াল করলে দেখবেন, রংপুরের জনসভায় বক্তব্যের মাঝে বেশ কয়েকবার তারেক রহমান অস্বস্তি ফিল করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, এই সময় স্বল্পতার কারণে তিনি দেশের অনেক জেলাতেই যেতে পারছেন না। ফলে দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ তাঁকে মোবাইল স্ক্রিনে দেখা সেই সব জেলার মানুষ এবারও ভোটের আগে সরাসরি দেখা থেকে বঞ্চিত হলেন।

ভোটের মাঠে বিএনপির জয় নিশ্চিত করতে হলে তারেক রহমানকে আরও কৌশলী হতে হবে। নব্বইয়ের পর থেকে বিএনপির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী এবার লড়াইয়ে নেই। তাদের সমর্থকরা ভোট দিতে যাবেন কিনা, বা গেলেও কোন দলকে ভোট দিবেন, এটা একটা মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন। আবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট অনেক আসনেই বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে। এই দুই ধরনের ভোটারদের প্রতি তাঁর কী ম্যাসেজ তা ২০২৬ সালের নির্বাচনে অন্যতম নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে।

গত দেড় বছরে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত অনেক ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে একটা ভোট ব্যাংক বেশ ভালোভাবে লক্ষ্যনীয়। পাশাপাশি মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ধর্মভীরু মুসলমান জনগোষ্ঠীও এবার একটা বিশাল ফ্যাক্টর। তাঁদের জন্য বিএনপির মনোভাব কী তা আরও সুস্পষ্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে গৎবাঁধা বক্তব্য না দিয়ে ইসলামের কল্যাণে বিএনপির অতীত অবদান থেকে শুরু করে ভবিষ্যত পরিকল্পনা সামনে নিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের সাথে অনেক গোষ্ঠী জড়িত থাকে। শুধু সাধারণ ভোটারের মনে এগিয়ে থাকলেই হবে না, ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে থাকা সবার মন জয় করতে হবে। একটি দেশের সব অংশের মন জুগিয়ে চলার মধ্যেই রাষ্ট্রের অবস্থান সুদৃঢ় হয়। নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ভেতরে বিএনপির প্রতি আস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের তুলনায় পিছিয়ে পড়লে শেষ বেলায় মাথা ঠোকা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

বিএনপি সম্পর্কে গোটা দুনিয়া কী ভাবছে তা নিয়ে আরও গভীর চিন্তা করতে হবে। প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ, মধ্যপ্রাচ্য বা ইসলামী বিশ্বের সাথে আমাদের রিলেশন কেমন হবে তা নিয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। পশ্চিমা বিশ্ব বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপির বিষয়ে মূল্যায়ন নিয়ে নির্মোহ বিশ্লেষণের কোনো বিকল্প নেই।

এর বাইরেও আরও অনেক ইস্যু রয়েছে, যা নিয়ে বিএনপিকে কাজ করতে হবে। দীর্ঘদিন পর চোখের সামনে পেয়েছেন বলে অনেকে বিএনপির দুর্বলতা তারেক রহমানের সামনে নিয়ে আসছেন না। আবার কেউ কেউ ধরেই নিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় চলেই এসেছে; অযথা বিরাগভাজন হওয়ার দরকার নেই। এই ওভার কনফিডেন্স বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও তারা একই ভুল করেছিল।

নিজেদের অতীত সাফল্য থেকেও বিএনপি শিক্ষা নিতে পারে। একানব্বইয়ে বিএনপিকে সবাই দ্বিতীয় ভেবেছিল। কিন্তু দেশের সব গণমাধ্যম আর মানুষের ধারণায় টপ ফেভারিট দলটি বেঞ্চের প্রথম সারিতে বসতে পারেনি। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে তারেক রহমানসহ বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আগামী কয়েকটা দিন নিরন্তর কাজ করতে হবে।

কয়েকদিনের মধ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। সম্ভবত ৩১ দফাকে মূল বিবেচনায় নিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে তারেক রহমান নিজের অভিজ্ঞতা সবার সাথে শেয়ার করতে পারেন। সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে কী চান, তাঁদের প্রত্যাশার বিপরীতে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত যেন ইশতেহারে থাকে।

হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। এই সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অতীতের ভুল-ত্রুটি থেকে বের হয়ে এসে বিএনপিকে ভোটারদের কাছে যেতে হবে। তাঁদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সবকিছু নিজেদের পরিকল্পনা মাফিক বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই বিএনপি কর্মীদের ইচ্ছা পূরণ হতে পারে। আর এখানেই তারেক রহমানকে ম্যাজিক দেখাতে হবে। সব প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে মিলাতে পারলেই ১৯ বছর পর আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরবে জিয়া পরিবার।

২৪ বাংলাদেশ অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
ট্যাগতারেক রহমানবিএনপি
মাধ্যমআশরাফুল কবির আসিফ
সর্বশেষ সংবাদ
Bangladesh Global Parliament
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী
লিড নিউজ সংসদ
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
অবৈধ স্থাপনাকারী যত শক্তিশালীই হোক, কারও কথা শুনবেন না: প্রতিমন্ত্রী
মফস্বল ফোকাস
পোর্তোর সেন্ট জন উৎসব: আকর্ষণীয় আতশবাজি ও ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
পর্তুগালের ঐতিহ্যবাহী ‘ফিস্ট অফ সেন্ট জন’ উৎসব শুরু ২৩ জুন
নির্বাচিত পোস্ট বিদেশ
অ্যান্টার্কটিকার পর এবার সুমেরু জয়ে দুই বাংলাদেশি অভিযাত্রী
সালাহউদ্দিন সুমন ও নিলয়ের সুমেরু (আর্কটিক) অভিযান শুরু
ভ্রমণ
Benzir Ahmed Arrest in Dubai
দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ
আইন ও বিচার লিড নিউজ
প্রধানমন্ত্রী
বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী লিড নিউজ
২৪ বাংলাদেশ আর্কাইভ
Su Mo Tu We Th Fr Sa
আজকের দিন-তারিখ
  • ()
  • ()

সম্পর্কিত

কমিটি পূর্ণাঙ্গ করায় উজ্জীবিত গোপালগঞ্জ যুবদল, শহরে আনন্দ মিছিল
মফস্বলরাজনীতি

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে গোপালগঞ্জে জেলা যুবদলের আনন্দ মিছিল

জুন ৭, ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল
প্রধানমন্ত্রীসংসদ

বাজেট অধিবেশনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুন ৭, ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল
রাজনীতি

চলে গেলেন তোফায়েল আহমেদ

জুন ১, ২০২৬
মালয়েশিয়া
প্রবাসরাজনীতি

মালয়েশিয়ায় বিএনপির দোয়া ও আলোচনা সভা

মে ৩১, ২০২৬
আরো সংবাদ দেখুন
Header Logo Header Logo

Information You Can Trust: Stay instantly connected with breaking stories and live updates. From politics and technology to entertainment and beyond, we provide real-time coverage you can rely on, making us your dependable source for 24/7 news.

Youtube Facebook-square Tiktok Instagram X-twitter Linkedin Whatsapp Telegram Threads
  • Editor: Deloer Hossain Mohin
  • 28/C Toyenbee Circular Road, Rahmania International Complex, Dhaka -1000, Bangladesh
  • +88 01683 367398
  • 24bangladeshonline@gmail.com

Copyright © 2026 24 Bangladesh | Powered By: Hur Agency

Copyright © 2026, 24 Bangladesh, All Rights Reserved | Powered By: Hur Agency
  • Privacy Policy
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Header Logo Header Logo
Welcome to 24 Bangladesh
Username or Email Address
Password

Lost your password?